
শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে সর্দি-কাশি, জ্বর, অ্যালার্জি ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌসুমি এই পরিবর্তনে সতর্ক না হলে সহজেই ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই শীতকালীন মৌসুমে কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা খুবই জরুরি।
শীতকালে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাওয়ায় সর্দি-কাশির ঝুঁকি বেড়ে যায়। বাইরে বের হলে অবশ্যই সোয়েটার, মাফলার, মোজা ও উষ্ণ পোশাক ব্যবহার করতে হবে।
ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলা ও হালকা গরম পানি পান করা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সর্দি-কাশির সম্ভাবনা কমায়।
শীতকালে ভিটামিন ‘সি’, গরম স্যুপ, শাক-সবজি, মৌসুমি ফল, মধু ও খেজুর খেলে শরীর ভালো থাকে এবং ঠান্ডা-সংক্রান্ত সমস্যা কমে।
শীতে বাতাস শুষ্ক থাকে, ফলে ত্বক রুক্ষ হয়ে পড়ে। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার, লিপ বাম এবং নারকেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার ত্বককে নরম রাখে।
সূর্যের আলো ভিটামিন ‘ডি’ এর ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
অনেকে শীতে গোসল এড়িয়ে চলে, যা ব্যাকটেরিয়া তৈরি করতে পারে। সপ্তাহে অন্তত ৩–৪ দিন গরম পানি দিয়ে গোসল করা উচিত।
অতিরিক্ত ঠান্ডা বাতাসে থাকলে হাইপোথার্মিয়া ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়ে। বাইরে থাকলে নাক-মুখ ঢেকে রাখুন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালীন সতর্কতাগুলো মেনে চললে মৌসুমি রোগ এড়ানো সহজ হয়। তাই সুস্থ থাকতে ছোট ছোট নিয়মগুলো মানা জরুরি। শীত উপভোগ করুন, তবে নিজের যত্ন নিয়ে।